'সুধাকর দল' কী?
-
ক
সুধাকর পত্রিকা ঘিরে মুসলিম কবি সাহিত্যিকদের সঙ্ঘ
-
খ
উনিশ শতকের স্বার্থদ্বেষী লেখকগোষ্ঠী
-
গ
বিদ্যাসাগর অনুরাগী সাধু ভাষাপন্থী পণ্ডিতদল
-
ঘ
বঙ্কিম অনুরাগী চলিত ভাষাপন্ত্রী পণ্ডিতদল
১৮৮৯ সালে প্রকাশিত সাপ্তাহিক 'সুধাকর' পত্রিকাকে কেন্দ্র করে শেখ আবদুর রহিম, মোহাম্মদ রেয়াজউদ্দীন আহমদ, রেয়াজুদ্দীন আহমদ মাশাদীর মতো শিক্ষিত ও প্রগতিশীল মুসলিম লেখকদের একটি গোষ্ঠী বা দল গড়ে ওঠে। এই দলটির মাধ্যমে বাংলা ভাষায় মুসলিম লেখকদের সাহিত্যিক অভিব্যক্তি, সমাজচেতনা ও বৌদ্ধিক জাগরণ সুসংগঠিতভাবে বিকশিত হয়।
বঙ্কিমচন্দ্র প্রমুখ হিন্দু বুদ্ধিজীবীরা মুসলমানদের বিরুদ্ধে যেসব লেখা লিখতেন, সুধাকর দলের লেখকরা পত্রিকায় তার জোরালো প্রতিবাদ করতেন।
পৃথিবীর প্রথম সংবাদপত্র ১৫৬০ সালে জার্মান থেকে প্রকাশিত হয়। ১৭০২ সালে ইংল্যান্ড থেকে প্রকাশিত হয় বিশ্বের প্রথম দৈনিক পত্রিকা। ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ সরকার ১৭৯৫ সালে পত্র-পত্রিকায় প্রথম সেন্সর প্রথা চালু করে।
Key Notes:
- ভারতবর্ষের প্রথম মুদ্রিত সংবাদপত্রের নামঃ জেমস্ অগাস্টাস হিকি সম্পাদিত 'বেঙ্গল গেজেট' (১৭৮০)। এটি ইংরেজিতে প্রকাশিত হয়।
- বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িকপত্র জন ক্লার্ক মার্শম্যান সম্পাদিত 'দিগদর্শন' (১৮১৮)।
- বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র জন ক্লার্ক মার্শম্যান সম্পাদিত 'সমাচার দর্পণ' (১৮১৮)। এটি সাপ্তাহিক হিসেবে প্রকাশিত হয়।
- বাঙালি কর্তৃক প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্য সম্পাদিত 'বাঙ্গাল গেজেট' (১৮১৮)।
- বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম দৈনিক সংবাদপত্র ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত 'সংবাদ প্রভাকর'। সাপ্তাহিক হিসেরে ১৮৩১ সালে এবং দৈনিক হিসেবে ১৮৩৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- মুসলমান কর্তৃক প্রকাশিত প্রথম পত্রিকা শেখ আলিমুল্লাহ সম্পাদিত 'সমাচার সভারাজেন্দ্র' (১৮৩১)
- বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র গুরুচরণ রায় সম্পাদিত 'রংপুর বার্তাবহ' (১৮৪৭)।
- ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার সম্পাদিত 'ঢাকা প্রকাশ' (১৮৬১)।
সাময়িকী/সংবাদপত্র | প্রকাশকাল | সম্পাদক | টীকাভাষ্য |
| বেঙ্গল গেজেট | ১৭৮০ | জেমস অগাস্টাস হিকি | ভারতবর্ষের প্রথম মুদ্রিত সংবাদপত্র (ইংরেজিতে)। |
| দিগদর্শন | ১৮১৮ | জন ক্লার্ক মার্শম্যান | বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িকপত্র। |
| সমাচার দর্পণ | ১৮১৮ | জন ক্লার্ক মার্শম্যান | বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র (সাপ্তাহিক)। |
| বাঙ্গাল গেজেট | ১৮১৮ | গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্য | বাঙালি কর্তৃক প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র। |
| সম্বাদ কৌমুদী | ১৮২১ | রাজা রামমোহন রায় | সামাজিক কুসংস্কার অনাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ প্রকাশিত হত। |
| ব্রাহ্মণসেবধি | ১৮২১ | ||
| পশ্বাবলী | ১৮২২ | বেভারেন্ড লঙ | - |
| সমাচার চন্দ্রিকা | ১৮২২ | ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় | - |
| বঙ্গদূত | ১৮২৯ | নীলমণি হালদার | - |
| সংবাদ প্রভাকর (সাপ্তাহিক) | ১৮৩১ | ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত | বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম দৈনিক সংবাদপত্র। |
| সংবাদ প্রভাকর (দৈনিক) | ১৮৩৯ | ||
| সমাচার সভারাজেন্দ্র | ১৮৩১ | শেখ আলিমুল্লাহ | মুসলমান কর্তৃক প্রকাশিত প্রথম পত্রিকা। |
| জ্ঞানান্বেষণ | ১৮৩১ | দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায় | 'ইয়ংবেঙ্গল' গোষ্ঠীর মুখপত্র। |
| তত্ত্ববোধিনী | ১৮৪৩ | অক্ষয়কুমার দত্ত | তত্ত্ববোধিনী সভার মুখপত্র। |
| রংপুর বার্তাবহ | ১৮৪৭ | গুরুচরণ রায় | বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র। |
| ঢাকা প্রকাশ | ১৮৬১ | কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার | ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র। |
| গ্রামবার্তা প্রকাশিকা | ১৮৬৩ | কাঙাল হরিনাথ | কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র। |
| বঙ্গদর্শন | ১৮৭২ | বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় | বাংলা গদ্যের বিকাশে এটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। |
| ভারতী | ১৮৭৭ | দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর | - |
| সুধাকর | ১৮৮৯ | শেখ আব্দুর রহিম | মুসলমানদের মহিমা, তত্ত্ব, জ্ঞান-বিজ্ঞান প্রভৃতি বিষয় এতে আলোচিত হতো |
| মিহির | ১৮৯২ | ||
| হাফেজ | ১৮৯৭ | ||
| কোহিনুর | ১৮৯৮ | মো: ইয়াকুব আলী চৌধুরী | কুষ্টিয়া থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র। |
| সবুজপত্র | ১৯১৪ | প্রমথ চৌধুরী | বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতি প্রচলনে অবদান রাখে। |
| সওগাত | ১৯১৮ | মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন | ১৯২৬ সালে এটি সওগাত নবপর্যায় নামে প্রকাশিত হতে থাকে। ১৯৫২ সাল থেকে পত্রিকাটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়। |
| মোসলেম ভারত | ১৯২০ | মোজাম্মেল হক | কাজী নজরুলের কাব্য খ্যাতিতে এটি অবদান রাখে। |
| আঙ্গুর | ১৯২০ | ড. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ | কিশোর পত্রিকা। |
| ধূমকেতু | ১৯২২ | কাজী নজরুল ইসলাম | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এ পত্রিকায় অভিনন্দন বাণী পাঠিয়েছেন। |
| লাঙল | ১৯২৫ | - | |
| নবযুগ | ১৯৪১ | ১৯২০ সালে মুজাফফর আহমদ সহযোগে প্রথম প্রকাশিত। | |
| কল্লোল | ১৯২৩ | দীনেশরঞ্জন দাশ | এ পত্রিকাকে ঘিরে একটি স্বতন্ত্র সাহিত্যিক বলয় তৈরি হয়েছিল। |
| কালিকলম | ১৯২৬ | প্রেমেন্দ্র মিত্র | কলকাতা থেকে প্রকাশিত সচিত্র মাসিক পত্রিকা। |
| মাসিক মোহাম্মদী | ১৯২৭ | মো: আকরম খাঁ | - |
| শিখা | ১৯২৭ | আবুল হোসেন | 'বুদ্ধির মুক্তি' আন্দোলনের মুখপত্র রূপে প্রকাশিত। |
| পূর্বাশা | ১৯৩২ | সঞ্জয় ভট্টাচার্য | - |
| কবিতা | ১৯৩৫ | বুদ্ধদেব বসু | ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকা। |
| দৈনিক আজাদ | ১৯৩৬ | মো: আকরম খাঁ | কলকাতা থেকে প্রকাশিত। |
| চতুরঙ্গ | ১৯৩৯ | হুমায়ুন কবির | ঢাকা থেকে প্রকাশিত। |
| ক্রান্তি | ১৯৪০ | রণেশ দাশগুপ্ত | ঢাকা থেকে প্রকাশিত। |
| বেগম (সাপ্তাহিক) | ১৯৪৭ | সুফিয়া কামাল (প্রথম), নুরজাহান বেগম | মহিলা সম্পাদিত প্রথম পত্রিকা। |
| সমকাল | ১৯৫৭ | সিকান্দার আবু জাফর | তৎকালীন সময়ের ঢাকার প্রভাবশালী পত্রিকা। |
| কন্ঠস্বর | ১৯৬৫ | আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ | - |
| কালবেলা | ১৯৬৫ | জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত | - |
| স্বদেশ | ১৯৬৯ | আহমদ ছফা | - |
| শিলালিপি | ১৯৬৯ | সেলিনা পারভীন | - |
| শিল্পকলা | ১৯৭০ | আবদুল মান্নান সৈয়দ | - |
| কণ্ঠস্বর | - | আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ | - |
| উত্তরাধিকার | ১৯৭৩ | এটি বাংলা একাডেমি'র সৃষ্টিশীল সাহিত্যপত্র। ১৯৭৩ সালে মাসিক পত্রিকা হিসেবে চালু হলেও ১৯৮৩ সালে ত্রৈমাসিক পত্রিকায় রূপান্তরিত হয়। ২০০৯ সালে আবার মাসিক পত্রিকা হিসেবে নিয়মিত প্রকাশিত হতে থাকে। পরে আবারও ত্রৈমাসিকে রূপান্তরিত হয়। | |
| ধানশালিকের দেশ | ১৯৭৩ | এটি কিশোরদের জন্য প্রকাশিত বাংলা একাডেমি'র ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকা। | |
| লোকায়ত | ১৯৯০ | ১৯৯০ সালে হুগলি জেলার শ্রীরামপুর স্টেশনের ডাউন প্লাটফর্মের হাতে লেখা দেয়াল পত্রিকা 'লোকায়ত'র শুরু। ১৯৯২ সালে মুদ্রিত আকারে আত্মপ্রকাশ। | |
| নারীশক্তি | - | ডা. লুৎফর রহমান | নারী সমাজের প্রগতির লক্ষ্যে প্রকাশিত। |
| ইত্তেফাক | - | তফাজ্জল হোসেন (মানিক মিয়া) | - |
| সাহিত্য পত্রিকা | ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (বাংলা বিভাগ)। | ||
| ভাষা সাহিত্যপত্র | জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (বাংলা বিভাগ)। | ||
| সাহিত্যিকী | রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (বাংলা বিভাগ)। | ||
আধুনিক যুগের সূচনায় পত্র-পত্রিকার ভূমিকা:
বাংলা সাহিত্যে আধুনিক যুগের সূচনার অন্যতম অনুষঙ্গ ছিলো পত্র-পত্রিকা। আধুনিক যুগের প্রতিভূ হলো গদ্য সাহিত্য। প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বিষয় ছিল ধর্ম অথবা রাজবন্দনা আর আঙ্গিকে ছিল কেবলই কবিতা। আর গদ্যের বিকাশের সাথে সাথে বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার সূচনা ঘটে। শ্রীরামপুরের খ্রিষ্টান ধর্মপ্রচারকগণ ও ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ বাংলা গদ্যের উন্নতিকল্পে প্রভূত পরিশ্রম করে ভূমিকর্ষণ করেছিলেন। সেই কর্ষিত ভূমিতে ফসল ফলানোর উপযোগী আলো-হাওয়া ও জলসিঞ্চনের ব্যবস্থা করেছিল পত্র-পত্রিকাগুলো। এসব সাময়িকপত্র যদি যথাসময়ে গদ্যভাষার বাহন না হয়ে উঠতো, তাহলে বাংলা গদ্য সাহিত্য এতো দ্রুত সমৃদ্ধি লাভ করতো না এবং আধুনিক যুগের সূচনা আরও প্রলম্বিত হতো। তাই গদ্যরীতি গঠনে ও গদ্যসাহিত্যের উৎকর্ষ সাধনে পত্র-পত্রিকার অবদান অনস্বীকার্য। বিভিন্ন পত্রিকাগোষ্ঠীকে অবলম্বন করেই সেকালে প্রতিভাবান সাহিত্যিকেরা জাতীয় সাহিত্যের ভান্ডার সমৃদ্ধ করে বাংলা সাহিত্যে নতুন রাগিণীর সূচনা ঘটান, যা আধুনিক যুগের সূচনাকে ত্বরান্বিত করে। ১৮১৮ সালের এপ্রিল মাসে বাংলা মাসিকপত্র হিসেবে মিশনারিদের পক্ষ থেকে জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় 'দিকদর্শন' প্রকাশিত হয়। এ পত্রিকায় ব্যবহৃত গদ্যভাষা খুব স্বচ্ছন্দ না হলেও সহজবোধ্য ছিলো, যা গদ্য সাহিত্য বিকাশে ভূমিকা রাখে। ১৮১৮ সালের মে মাসে জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় 'সমাচার দর্পণ' নামে একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা প্রকাশিত হয়। এ পত্রিকার লেখার ভাষায় সারল্য, তথ্যবোধ ও মাত্রাজ্ঞান বিদ্যমান ছিল। ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'নববাবু বিলাস' ও 'নববিবি বিলাস', প্যারীচাঁদ মিত্র ও কালীপ্রসন্ন সিংহের লেখা 'বাবু-বৃত্তান্ত' এর সূচনা এ পত্রিকাতেই। ড. সুকুমার সেন বলেন, 'সাধারণ বাঙ্গালী পাঠক খবরের কাগজের রস এই প্রথম আস্বাদন করিল এবং তাহাতে বাঙ্গালা গদ্যের ঘরোয়া পরিচয়ের সুযোগ লাভ করিল। ………. এই সাময়িকপত্রের মধ্যে অনুশীলিত হইয়াই বাংলা গদ্যের জড়তামুক্তি ঘটিয়াছিল।' রাজা রামমোহন রায়ের সম্পাদনায় ১৮২১ সালে প্রকাশিত হয় 'সম্বাদ কৌমুদী' ও 'ব্রাহ্মণসেবধি' পত্রিকা। এ পত্রিকায় রামমোহন রায় ও অন্যান্য পণ্ডিতগণ লেখালেখি করতেন, যা বাংলা গদ্যসাহিত্য বিকাশের পথ খানিকটা অগ্রসর হয়। বাংলা গদ্য সাহিত্যকে শিশু থেকে যৌবনপ্রাপ্ত করার বিশেষ সহযোগী হিসেবে 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকা ১৮৩১ সালে প্রথমে সাপ্তাহিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং ১৮৩৯ সালে দৈনিকরূপে প্রকাশিত হয়। দীনবন্ধু মিত্র, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ মূলত এ পত্রিকার মাধ্যমে শুরু হয়। এ পত্রিকা দীর্ঘকাল পাঠকের কাছে নানা ধরনের সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি সাহিত্যরস পরিবেশনের দায়িত্ব পালন করে এসেছিল, যা গদ্যসাহিত্য পরিপূর্ণ বিকাশের পথে সবেগে ধাবিত হয়। এছাড়াও ইয়ং বেঙ্গল গোষ্ঠীর 'জ্ঞানান্বেষণ', অক্ষয়কুমার দত্ত সম্পাদিত 'তত্ত্ববোধিনী', প্যারীচাঁদ মিত্রের 'মাসিক পত্রিকা', রাজেন্দ্রলাল মিত্রের 'বিবিধার্থ সংগ্রহ' প্রভৃতি পত্রিকা বাংলা গদ্যের বিকাশের পথকে মসৃণ করে এবং এর ফলে বাংলা সাহিত্যে আধুনিক যুগের সূচনাপর্বের সগৌরবে উন্মেষ ঘটে। পরবর্তীতে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত 'বঙ্গদর্শন', দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্পাদিত 'ভারতী' এবং সর্বশেষ প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত 'সবুজপত্র' পত্রিকা বাংলা গদ্যরীতির বিকাশের মাধ্যমে আধুনিক যুগের পূর্ণতা দানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Related Question
View All-
ক
সমাচার দর্পণ
-
খ
তত্ত্ববোধিনী
-
গ
সংবাদ প্রভাকর
-
ঘ
একটিও নয়
-
ক
ধূপছায়া
-
খ
ধূমকেতু
-
গ
সংগ্রাম
-
ঘ
একটিও নয়
-
ক
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
-
খ
অক্ষয় কুমার দত্ত
-
গ
প্যারীচাঁদ মিত্র
-
ঘ
বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
-
ক
সওগাত
-
খ
মোহাম্মদী
-
গ
সমকাল
-
ঘ
শিখা
-
ক
হুমায়ুন আজাদ
-
খ
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
-
গ
হাসান আজিজুল হক
-
ঘ
আবুল হাসনাত
-
ক
দৈনিক সংবাদ
-
খ
সৈনিক
-
গ
শিখা
-
ঘ
ধূমকেতু
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!